• ৩ চৈত্র ১৪৩২
  • বুধবার
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
ad
ad

Breaking News

Abhijeet Dipke Cockroach Janta Party

কে এই অভিজিৎ দিপকে? রাতারাতি ভাইরাল ‘Cockroach Janta Party’-এর প্রতিষ্ঠাতাকে ঘিরে জোর চর্চা

সামাজিক মাধ্যমে ঝড় তোলা ‘Cockroach Janta Party (CJP)’-এর প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে এখন জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রে। রাজনৈতিক যোগাযোগ কৌশল থেকে শুরু করে ডিজিটাল প্রচার— কে এই অভিজিৎ দিপকে, তা নিয়েই বাড়ছে আগ্রহ।

কে এই অভিজিৎ দিপকে? রাতারাতি ভাইরাল ‘Cockroach Janta Party’-এর প্রতিষ্ঠাতাকে ঘিরে জোর চর্চা

Abhijeet Dipke Cockroach Janta Party

Published by: cloud_admin
  • Posted:May 22, 2026 6:30 am
  • Update:May 22, 2026 6:30 am
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি ডেস্ক: সামাজিক মাধ্যমে হঠাৎ করেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ‘Cockroach Janta Party’ বা CJP। ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক বার্তা, তরুণদের অসন্তোষ এবং ডিজিটাল প্রচারের মাধ্যমে কয়েক দিনের মধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই প্ল্যাটফর্ম। আর এই ভাইরাল উদ্যোগের পিছনে রয়েছেন অভিজিৎ দিপকে (Abhijeet Dipke Cockroach Janta Party)। বর্তমানে তাঁর পরিচয় এবং রাজনৈতিক পটভূমি নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

অভিজিৎ দিপকে একজন ৩০ বছর বয়সি ভারতীয় রাজনৈতিক যোগাযোগ কৌশলবিদ (Political Communication Strategist)। ডিজিটাল প্রচার, রাজনৈতিক বার্তা তৈরি, জনমত গঠন এবং সামাজিক মাধ্যমভিত্তিক ক্যাম্পেইনের ক্ষেত্রে তিনি কাজ করেছেন। প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, তিনি পুনে থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন এবং পরে উচ্চশিক্ষার জন্য আমেরিকায় যান। তিনি সম্প্রতি বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাবলিক রিলেশনস বিষয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন বা করছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

অভিজিৎ দিপকের অতীত রাজনৈতিক সংযোগ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে তিনি AAP-এর ডিজিটাল এবং সামাজিক মাধ্যমভিত্তিক প্রচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিশেষ করে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের সময় মিম-নির্ভর ডিজিটাল ক্যাম্পেইনে কাজ করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

‘Cockroach Janta Party’-এর জন্ম নিয়েও বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এই উদ্যোগের সূত্রপাত হয় একটি বিতর্কিত মন্তব্যকে ঘিরে তৈরি হওয়া অনলাইন প্রতিক্রিয়ার পর। এরপর সামাজিক মাধ্যমে “সব কক্‌রোচ এক হলে কী হবে?” ধরনের ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। পরে সেটিই রূপ নেয় একটি সংগঠিত ডিজিটাল আন্দোলনে।

খুব অল্প সময়ের মধ্যেই CJP সামাজিক মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ অনুসারী পেয়ে যায়। নিজেদের ‘Voice of the Lazy and Unemployed’ বা “অলস এবং বেকারদের কণ্ঠস্বর” বলে পরিচয় দেওয়া এই প্ল্যাটফর্মটি তরুণদের কর্মসংস্থান, মূল্যবৃদ্ধি, সামাজিক বৈষম্য ও রাজনৈতিক হতাশার মতো বিষয় নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট করতে শুরু করে। এর ফলে বহু তরুণের মধ্যে এটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

তবে জনপ্রিয়তার পাশাপাশি বিতর্কও তৈরি হয়েছে। CJP-এর কিছু সামাজিক মাধ্যম অ্যাকাউন্ট ভারতে সীমাবদ্ধ বা ব্লক হওয়ার খবর সামনে এসেছে। অন্যদিকে অভিজিৎ দিপকের পরিবারের তরফেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। কিছু রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, তাঁর বাবা-মা চাইছেন না তিনি সরাসরি রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ুন এবং সম্ভাব্য আইনি জটিলতা নিয়ে তাঁরা উদ্বিগ্ন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, CJP ভবিষ্যতে আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক দল হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এটি স্পষ্ট যে সামাজিক মাধ্যমের যুগে ব্যঙ্গ, মিম এবং ডিজিটাল ভাষা এখন রাজনৈতিক বক্তব্য তৈরির নতুন মাধ্যম হয়ে উঠছে। আর সেই পরিবর্তনের মুখ হিসেবে উঠে এসেছেন অভিজিৎ দিপকে।

More News