• ৩ চৈত্র ১৪৩২
  • বুধবার
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
ad
ad

Breaking News

Indian Resident Japan Deportation

৩০ বছর জাপানে থাকার পরেও দেশছাড়ার আশঙ্কা, কাঁদতে কাঁদতে ভেঙে পড়লেন ভারতীয় রেস্তরাঁ মালিক

জাপানে ৩০ বছর ধরে বসবাসকারী ভারতীয় রেস্তরাঁ মালিক মনীশ কুমার ভিসা নবীকরণ বাতিল হওয়ায় দেশছাড়ার আশঙ্কায় ভেঙে পড়েছেন। তার সন্তানরা শুধু জাপানি ভাষাই জানে বলে জানিয়েছেন তিনি।

৩০ বছর জাপানে থাকার পরেও দেশছাড়ার আশঙ্কা, কাঁদতে কাঁদতে ভেঙে পড়লেন ভারতীয় রেস্তরাঁ মালিক

Indian Resident Japan Deportation

Published by: cloud_admin
  • Posted:May 17, 2026 8:18 am
  • Update:May 17, 2026 8:18 am
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি ডেস্ক: প্রায় তিন দশক ধরে জাপানকে নিজের ঘর হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যবসায়ী মনীশ কুমার। কিন্তু আচমকাই জাপানের কঠোর ভিসা নীতির কারণে এখন দেশছাড়ার (Indian Resident Japan Deportation) আশঙ্কায় দিন কাটছে তার। আর সেই আশঙ্কার কথাই প্রকাশ্যে বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন তিনি।

জানা গিয়েছে, Manish Kumar গত ৩০ বছর ধরে জাপানে বসবাস করছেন। টোকিওর কাছাকাছি সাইতামা প্রিফেকচারে গত ১৮ বছর ধরে একটি ভারতীয় রেস্তরাঁ চালাচ্ছেন তিনি। কিন্তু সম্প্রতি জাপানের Immigration Services Agency তার ব্যবসায়িক ভিসার নবীকরণ আবেদন খারিজ করে দেয়।

এরপরই এক প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মনীশ। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন,
“দুই সপ্তাহ আগে আমাকে বলা হয়েছে নিজের দেশে ফিরে যেতে। আমার সন্তানদের জন্ম জাপানে, তারা শুধু জাপানি ভাষাই জানে। তাদের সব বন্ধুরাও জাপানি। এখন আমাদের ভারত ফিরে যেতে বলা হচ্ছে। আমি কী করব?”

মনীশ কুমারের বক্তব্যের ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সেখানে তিনি আরও জানান, জাপানে নিজের কঠোর পরিশ্রমের টাকায় বাড়িও কিনেছেন। স্থানীয় সমাজ, ব্যবসায়ী সংগঠন এবং গ্রাহকদের সমর্থনও পেয়েছেন দীর্ঘদিন ধরে। তারপরও আচমকা এই সিদ্ধান্ত তাকে মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর জাপান ব্যবসায়িক ভিসা সংক্রান্ত নিয়ম আরও কঠোর করেছে। বিশেষ করে ছোট বিদেশি ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে নানা নতুন শর্ত আরোপ করা হয়েছে। আর সেই পরিবর্তনের প্রভাব পড়েছে মনীশ কুমারের মতো বহু অভিবাসী ব্যবসায়ীর উপর।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জাপানে বসবাসকারী বিদেশিদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে বসবাস ও ব্যবসা পরিচালনা করলেও নতুন নিয়মের কারণে অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে হতে পারে বহু পরিবারকে।

বর্তমানে মনীশ কুমারের ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে তার চোখের জল এবং অসহায় আবেদন ইতিমধ্যেই বহু মানুষের সহানুভূতি কুড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

More News