Trump Joe Rogan Psychedelics
ক্লাউড টিভি বাংলা ডেস্ক : মার্কিন রাজনীতিতে নতুন কৌশল—ইরান ইস্যুতে তৈরি হওয়া ফাটল মেরামত করতে এবার ভিন্ন পথ বেছে নিয়েছেন Donald Trump। লক্ষ্য একটাই—বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী পডকাস্টার Joe Rogan-কে আবার নিজের পাশে আনা (Trump Joe Rogan Psychedelics)।
ইরান সংঘাত নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থানের কড়া সমালোচনা করেছিলেন রোগান। তিনি প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছিলেন মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে। এর ফলে দুই পক্ষের সম্পর্কের মধ্যে স্পষ্ট দূরত্ব তৈরি হয়।
এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প প্রশাসন এখন “ইমেজ রিসেট”-এর পথে হাঁটছে। তার অন্যতম বড় পদক্ষেপ—সাইকেডেলিক ড্রাগের গবেষণা ও ব্যবহারে ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত।
এই সিদ্ধান্তের আওতায়:
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপ শুধুমাত্র স্বাস্থ্যনীতি নয়, বরং রাজনৈতিক কৌশলও। কারণ, Joe Rogan দীর্ঘদিন ধরেই সাইকেডেলিকসের সমর্থক এবং তার পডকাস্টে এই বিষয় নিয়ে বারবার আলোচনা করেছেন।সূত্রের দাবি, রোগান নিজেও ট্রাম্পকে সরাসরি মেসেজ করে এই বিষয়ে তথ্য দিয়েছিলেন। এরপরই দ্রুত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান সময়ে পডকাস্ট শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং বড় রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। The Joe Rogan Experience-এর মতো শো কোটি কোটি দর্শকের কাছে পৌঁছায় এবং ভোটারদের মতামত প্রভাবিত করতে পারে।বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে রোগানের প্রভাব অত্যন্ত বেশি। সেই কারণেই ট্রাম্প প্রশাসন চাইছে এই সম্পর্ক আবার মজবুত করতে।এরই মধ্যে হোয়াইট হাউসে রোগানের উপস্থিতি এবং ট্রাম্পের সঙ্গে তার একাধিক যোগাযোগ এই জল্পনাকে আরও জোরালো করেছে।
তবে প্রশ্ন উঠছে—এই কৌশল কতটা সফল হবে? কারণ, রোগান আগেও ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা করেছেন এবং নিজেকে “politically homeless” বলেও উল্লেখ করেছেন। সব মিলিয়ে, ইরান যুদ্ধের প্রভাব এখন শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ নয়—তা ছড়িয়ে পড়েছে আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও। আর সেখানে এখন বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে পডকাস্ট, সাইকেডেলিকস এবং জনমত।