• ৩ চৈত্র ১৪৩২
  • বুধবার
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
ad
ad

Breaking News

TCS Nashik Case

TCS নাসিক কাণ্ডে নতুন মোড়! বোরখা, অ্যাপ ও মালয়েশিয়া প্রলোভনে ধর্মান্তরের অভিযোগ

তদন্তে উঠে এসেছে, ওই কর্মীর মোবাইলে বিভিন্ন ধর্মীয় অ্যাপ ইনস্টল করে দেওয়া হয়েছিল এবং নিয়মিতভাবে ইউটিউব ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ধর্মীয় কনটেন্ট পাঠানো হতো।

TCS নাসিক কাণ্ডে নতুন মোড়! বোরখা, অ্যাপ ও মালয়েশিয়া প্রলোভনে ধর্মান্তরের অভিযোগ

TCS Nashik Case

Published by: cloud_admin
  • Posted:April 28, 2026 11:13 am
  • Update:April 28, 2026 11:13 am
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি বাংলা ডেস্ক : মহারাষ্ট্রের নাসিকে Tata Consultancy Services-এর এক কর্মীকে ঘিরে ধর্মান্তরের অভিযোগে তদন্তে নতুন তথ্য (TCS Nashik Case) সামনে এসেছে, যা নিয়ে দেশজুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত Nida Khan পরিকল্পিতভাবে এক মহিলা কর্মীর উপর প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করেছিলেন। অভিযোগ, তাঁকে বোরখা এবং ইসলামিক ধর্মীয় বই দেওয়া হয়, যাতে ধীরে ধীরে তাঁর মানসিকতায় পরিবর্তন আনা যায় এবং ধর্মান্তরের দিকে আগ্রহী করা যায়।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, ওই কর্মীর মোবাইলে বিভিন্ন ধর্মীয় অ্যাপ ইনস্টল করে দেওয়া হয়েছিল এবং নিয়মিতভাবে ইউটিউব ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ধর্মীয় কনটেন্ট পাঠানো হতো। তদন্তকারীদের মতে, এটি ছিল ধাপে ধাপে মানসিক প্রভাব তৈরি করার একটি কৌশল, যাতে ভুক্তভোগী নিজেই সেই পথে এগিয়ে যান।

সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে নাম পরিবর্তনের চেষ্টা। সূত্রের দাবি, ওই কর্মীর নাম বদলে “হানিয়া” রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। পাশাপাশি তাঁর শিক্ষাগত নথি নিজের কাছে রেখে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে, যাতে তিনি অন্যত্র চাকরি খুঁজতে না পারেন এবং নির্ভরশীল অবস্থায় থাকেন। এই অভিযোগগুলি প্রমাণিত হলে তা আইনি দিক থেকে অত্যন্ত গুরুতর বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এছাড়াও তদন্তে উঠে এসেছে একটি আন্তর্জাতিক প্রলোভনের বিষয়। অভিযোগ, ওই কর্মীকে মালয়েশিয়ায় চাকরির সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। সেখানে গিয়ে একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে কাজ করার কথা বলা হয়, যা গোটা ঘটনাকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, এর পেছনে কোনও বৃহত্তর নেটওয়ার্ক রয়েছে কি না।

এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। ভুক্তভোগী তফসিলি জাতিভুক্ত হওয়ায় SC/ST আইনের ধারাও যুক্ত হয়েছে, ফলে মামলার গুরুত্ব আরও বেড়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, কর্মক্ষেত্রে জোর করে ধর্মীয় প্রভাব বিস্তার বা ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ অত্যন্ত সংবেদনশীল, তাই সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এই কেসটি এখন শুধু একটি অফিসের অভ্যন্তরীণ সমস্যা হিসেবে সীমাবদ্ধ নেই, বরং কর্পোরেট পরিবেশে নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সামনে এনে দিয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে, এবং চূড়ান্ত রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না। তবে ইতিমধ্যেই এই ঘটনাকে ঘিরে জাতীয় স্তরে আলোচনা শুরু হয়েছে।

More News