Ranbir Kapoor Ayodhya Land
ক্লাউড টিভি ডেস্ক: বলিউড অভিনেতা Ranbir Kapoor এবার অযোধ্যার রিয়েল এস্টেট বাজারে বড় বিনিয়োগ করলেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় ₹৩.৩১ কোটি মূল্যের একটি জমি কিনেছেন অভিনেতা। এই জমিটি (Ranbir Kapoor Ayodhya Land) উত্তরপ্রদেশের Ayodhya শহরের প্রিমিয়াম রিয়েল এস্টেট প্রকল্প “The Sarayu”-এর অন্তর্গত।
জানা গিয়েছে, মোট ২,১৩৪ স্কোয়ার ফিটের এই জমিটি House of Abhinandan Lodha (HoABL)-এর ৭৫ একরের বিলাসবহুল প্রকল্পের অংশ। সরযূ নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই প্রকল্পে রয়েছে ক্লাবহাউস, লাইফস্টাইল সুবিধা এবং The Leela-পরিচালিত একটি বিলাসবহুল হোটেল।
এই খবর সামনে আসতেই বলিউড এবং রিয়েল এস্টেট মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ খুব শীঘ্রই মুক্তি পেতে চলেছে Ramayana: Part 1, যেখানে ভগবান রামের চরিত্রে অভিনয় করছেন রণবীর কাপুর। সেই আবহেই অযোধ্যায় তাঁর এই বিনিয়োগকে অনেকেই প্রতীকী এবং কৌশলগত—দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন।
একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, এই জমি (Ranbir Kapoor Ayodhya Land) কেনার পর রণবীর নাকি ঘনিষ্ঠ মহলে বলেছেন, “অযোধ্যা আমায় বেছে নিয়েছে”। যদিও এই মন্তব্য নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, রামায়ণে অভিনয়ের আগে অযোধ্যায় বিনিয়োগ তাঁর ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও পেশাগত আবহ—দুইয়েরই প্রতিফলন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রাম মন্দির উদ্বোধনের পর অযোধ্যার রিয়েল এস্টেট বাজারে অভূতপূর্ব উত্থান দেখা যাচ্ছে। পর্যটন, ধর্মীয় ভ্রমণ এবং অবকাঠামো উন্নয়নের কারণে জমির দাম দ্রুত বাড়ছে। গত এক বছরে বহু বড় ব্যবসায়ী, হোটেল সংস্থা এবং হাই-প্রোফাইল ব্যক্তিত্ব অযোধ্যায় বিনিয়োগ করেছেন। রণবীর কাপুরও সেই তালিকায় নতুন সংযোজন।
এর আগেও Amitabh Bachchan অযোধ্যায় জমি কিনেছিলেন বলে খবর প্রকাশ্যে আসে। ফলে এখন বলিউডের একাধিক তারকার নজর যে অযোধ্যার দিকে, তা স্পষ্ট বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এদিকে রণবীর অভিনীত ‘Ramayana’ নিয়েও দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে। পরিচালক Nitesh Tiwari-র এই ছবিকে ভারতের অন্যতম বড় বাজেটের সিনেমা বলা হচ্ছে। ছবিতে রামের ভূমিকায় রণবীর ছাড়াও সীতার চরিত্রে থাকছেন Sai Pallavi এবং রাবণের ভূমিকায় দেখা যাবে Yash-কে।
রিয়েল এস্টেট বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক বছরে অযোধ্যা শুধু ধর্মীয় পর্যটনের কেন্দ্র নয়, বরং উত্তর ভারতের অন্যতম বড় “স্পিরিচুয়াল ইনভেস্টমেন্ট হাব” হয়ে উঠতে পারে। বিমানবন্দর, নতুন রাস্তা, হোটেল এবং পর্যটন অবকাঠামো তৈরি হওয়ায় সেখানে জমির দাম আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।