• ৩ চৈত্র ১৪৩২
  • বুধবার
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
ad
ad

Breaking News

Dowry deaths in India

কমছে পণপ্রথাজনিত মৃত্যু, তবু ভারতে প্রতি ৯০ মিনিটে প্রাণ হারাচ্ছেন এক মহিলা

পণ-সংক্রান্ত মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমলেও ভারতে এখনও প্রতি ৯০ মিনিটে একজন মহিলা প্রাণ হারাচ্ছেন। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

কমছে পণপ্রথাজনিত মৃত্যু, তবু ভারতে প্রতি ৯০ মিনিটে প্রাণ হারাচ্ছেন এক মহিলা

Dowry deaths in India

Published by: cloud_admin
  • Posted:May 21, 2026 5:23 pm
  • Update:May 21, 2026 5:23 pm
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি ডেস্ক: দেশে পণপ্রথাজনিত মৃত্যুর সংখ্যা আগের তুলনায় কমলেও পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতে এখনও গড়ে প্রতি ৯০ মিনিটে একজন মহিলা পণ-সংক্রান্ত নির্যাতন বা সহিংসতার কারণে প্রাণ (Dowry deaths in India) হারাচ্ছেন। সামগ্রিক সংখ্যায় কিছুটা হ্রাস দেখা গেলেও সমস্যা এখনও গভীরভাবে সমাজে রয়ে গেছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে মোট ৫,৭৩৭টি পণ-সংক্রান্ত মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। যদিও ২০১৫ সালের তুলনায় এই সংখ্যা কমেছে। ২০১৫ সালে এই সংখ্যা ছিল ৭,৬৩৪। অর্থাৎ এক দশকে প্রায় ১,৯০০টি ঘটনা কমেছে। তবে এই হ্রাস সত্ত্বেও প্রতিদিন গড়ে ১৫টিরও বেশি পণ-সংক্রান্ত মৃত্যু এখনও ঘটছে।

পরিসংখ্যান বলছে, দেশের কিছু রাজ্যে এই সমস্যা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। Uttar Pradesh একাই ২০২৪ সালে ২,০৩৮টি ঘটনা নথিভুক্ত করেছে, যা জাতীয় মোট সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি। এরপর রয়েছে Bihar, যেখানে ১,০৭৮টি ঘটনা সামনে এসেছে। এছাড়া Madhya Pradesh, Rajasthan এবং West Bengal-এও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

সম্প্রতি একাধিক ঘটনাও এই বিষয়টিকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে। উত্তরপ্রদেশের গ্রেটার নয়ডায় এক তরুণীর মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে পণের জন্য দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টেও গুরুতর আঘাতের উল্লেখ রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আইন থাকলেও কার্যকর প্রয়োগ এখনও বড় চ্যালেঞ্জ। ভারতে Dowry Prohibition Act, 1961 কার্যকর থাকলেও পণপ্রথা সম্পূর্ণ নির্মূল করা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে, বহু ক্ষেত্রে সামাজিক চাপ, পারিবারিক মানসিকতা এবং অভিযোগ জানাতে অনীহার কারণে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

নারী অধিকার কর্মীদের মতে, শুধুমাত্র আইন নয়, সামাজিক মানসিকতার পরিবর্তনও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পণকে এখনও বহু ক্ষেত্রে সামাজিক রীতি বা মর্যাদার সঙ্গে যুক্ত করে দেখা হয়, যা সমস্যাকে আরও জটিল করে তোলে।

More News