• ৩ চৈত্র ১৪৩২
  • বুধবার
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
ad
ad

Breaking News

Super El Nino Climate Crisis

চরম তাপপ্রবাহে আতঙ্ক, ‘১৮৭৭-এর মতো জলবায়ু বিপর্যয়’ আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের

সুপার এল নিনোর আশঙ্কায় বাড়ছে আতঙ্ক। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ১৮৭৭ সালের মতো ভয়াবহ তাপপ্রবাহ ও খরার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে ২০২৬-২৭ সালে।

চরম তাপপ্রবাহে আতঙ্ক, ‘১৮৭৭-এর মতো জলবায়ু বিপর্যয়’ আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের

Super El Nino Climate Crisis

Published by: cloud_admin
  • Posted:April 24, 2026 11:51 am
  • Update:April 24, 2026 11:51 am
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি বাংলা ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে ক্রমশ বাড়তে থাকা তাপপ্রবাহ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের মতে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ‘সুপার এল নিনো’ পরিস্থিতি (Super El Nino Climate Crisis)  তৈরি হতে পারে, যা ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ জলবায়ু বিপর্যয়ের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারে। বিশেষ করে ১৮৭৭-৭৮ সালের এল নিনোর উদাহরণ টেনে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন—সেই সময় বিশ্বজুড়ে চরম তাপপ্রবাহ, দীর্ঘস্থায়ী খরা এবং ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল, যার ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

বর্তমানে প্রশান্ত মহাসাগরের জলের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা এল নিনো গঠনের অন্যতম প্রধান ইঙ্গিত। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, এই প্রবণতা যদি অব্যাহত থাকে, তবে তা একটি শক্তিশালী বা ‘সুপার এল নিনো’-তে রূপ নিতে পারে। এর ফলে বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক প্রবাহে বড়সড় পরিবর্তন ঘটবে, যার প্রভাব পড়বে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে—বিশেষ করে উষ্ণমণ্ডলীয় দেশগুলিতে।

এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে কৃষিনির্ভর অর্থনীতি। বৃষ্টিপাতের ঘাটতি, দীর্ঘ খরা এবং অতিরিক্ত তাপমাত্রা ফসল উৎপাদনে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে জলসংকট, খাদ্যসংকট এবং দাবানলের মতো সমস্যাও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে ভারতের ক্ষেত্রে এই প্রভাব আরও প্রকট হতে পারে, কারণ এখানে বর্ষার উপরই অধিকাংশ কৃষি নির্ভরশীল।

ভারতে ইতিমধ্যেই তাপপ্রবাহের তীব্রতা বাড়ছে। একাধিক শহরে তাপমাত্রা ৪৩ থেকে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়ে ফেলছে, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তুলছে। চিকিৎসকরা সতর্ক করছেন হিটস্ট্রোক এবং পানিশূন্যতার ঝুঁকি নিয়েও। ফলে পরিস্থিতি শুধুমাত্র পরিবেশগত নয়, তা জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

বিজ্ঞানীদের মতে, বর্তমান গ্লোবাল ওয়ার্মিং পরিস্থিতির সঙ্গে এল নিনো যুক্ত হলে তার প্রভাব আরও ভয়াবহ হতে পারে। আগে যেসব প্রাকৃতিক বিপর্যয় বিরল ছিল, এখন তা আরও ঘন ঘন এবং তীব্র আকারে দেখা দিচ্ছে। তাই এখন থেকেই সতর্কতা, পরিকল্পনা এবং জলবায়ু মোকাবিলার দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নেওয়ার উপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

More News