startup shutdown job issue
ক্লাউড টিভি বাংলা ডেস্ক: স্টার্টআপে কাজ করার ঝুঁকি কতটা বড় হতে পারে, তারই বাস্তব উদাহরণ সামনে এল এক টেকির অভিজ্ঞতায়। একটি মেশিন লার্নিং ইঞ্জিনিয়ার বর্তমানে নতুন চাকরি খুঁজতে গিয়ে বারবার প্রত্যাখ্যাত হচ্ছেন—কারণ তাঁর আগের চাকরির কোনও “অফিসিয়াল প্রমাণ” আর নেই (startup shutdown job issue)।
জানা গেছে, ওই টেকির আগের স্টার্টআপটি হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে যায় এবং সম্পূর্ণ ডিজিটাল উপস্থিতি মুছে ফেলে। কোম্পানির ওয়েবসাইট, LinkedIn পেজ—সব কিছুই উধাও হয়ে যায়। ফলে নতুন চাকরির জন্য আবেদন করার সময় ব্যাকগ্রাউন্ড ভেরিফিকেশনে সমস্যায় পড়ছেন তিনি।
টেকির দাবি, তাঁর কাছে বেতন স্লিপ, এক্সিট মেল এবং NOC থাকলেও অনেক সংস্থা তা যথেষ্ট হিসেবে মানছে না। এমনকি বড় কোম্পানিগুলিও তাঁর আবেদন খারিজ করে দিচ্ছে, কারণ তারা আগের কোম্পানির অস্তিত্ব যাচাই করতে পারছে না।
এই ঘটনা সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। অনেকেই বলেছেন, স্টার্টআপে কাজ করার সময় এই ধরনের ঝুঁকি থাকে, কারণ অনেক ছোট সংস্থায় PF বা আনুষ্ঠানিক ডকুমেন্টেশন ঠিকমতো থাকে না। আবার অনেকে পরামর্শ দিয়েছেন—ইন্টারভিউয়ের সময় অতিরিক্ত ব্যাখ্যা না দিয়ে, প্রয়োজন হলে পরে ডকুমেন্ট দেখানোই ভালো।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে এই ধরনের সমস্যা অস্বাভাবিক নয়। অর্থনৈতিক চাপ, ফান্ডিং সংকট এবং ব্যবসায়িক ব্যর্থতার কারণে বহু স্টার্টআপ হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে কর্মীদের চাকরি যেমন ঝুঁকিতে পড়ছে, তেমনই ভবিষ্যতের ক্যারিয়ারেও তৈরি হচ্ছে অনিশ্চয়তা।
এই ঘটনাটি আবারও দেখিয়ে দিল—স্টার্টআপে কাজের সুযোগ যতটা আকর্ষণীয়, ততটাই অনিশ্চিত। তাই শুধু স্কিল নয়, নিজের কাজের ডকুমেন্টেশন এবং প্রমাণ সংরক্ষণ করাও এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।