• ৩ চৈত্র ১৪৩২
  • বুধবার
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
ad
ad

Breaking News

ED summons Kolkata Police DC

কলকাতা পুলিশের ডিসি ও দুই পুত্রকে তলব ইডি! ‘সোনা পাপ্পু’ যোগে নতুন মোড় তদন্তে

সোনা পাপ্পু-কাণ্ডে নতুন মোড়—কলকাতা পুলিশের ডিসি ও তাঁর দুই পুত্রকে তলব করল ইডি। মানি লন্ডারিং তদন্তে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

কলকাতা পুলিশের ডিসি ও দুই পুত্রকে তলব ইডি! ‘সোনা পাপ্পু’ যোগে নতুন মোড় তদন্তে

ED summons Kolkata Police DC

Published by: cloud_admin
  • Posted:April 20, 2026 11:48 am
  • Update:April 20, 2026 11:48 am
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি বাংলা ডেস্ক : নির্বাচনের আবহে ফের চাঞ্চল্য ছড়াল কলকাতায়। Enforcement Directorate (ইডি) তলব করল কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার Shantanu Sinha Biswas এবং তাঁর দুই পুত্রকে। মানি লন্ডারিং তদন্তে এই পদক্ষেপ নতুন করে প্রশ্ন তুলছে প্রশাসন ও অপরাধচক্রের সম্ভাব্য যোগসূত্র (ED summons Kolkata Police DC) নিয়ে।

তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ কলকাতার কুখ্যাত অপরাধী ‘সোনা পাপ্পু’ এবং বেহালার প্রোমোটার জয় কামদারের সঙ্গে শান্তনুর যোগাযোগের ইঙ্গিত মিলেছে। এই যোগসূত্র খতিয়ে দেখতেই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে পুলিশ আধিকারিক ও তাঁর দুই পুত্রকে।

ইডি আধিকারিকদের সন্দেহ, ধৃত প্রোমোটার জয় কামদারের সঙ্গে শান্তনু বা তাঁর পরিবারের কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। সেই কারণেই পিতা-পুত্রকে একসঙ্গে তলব করা হয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে, শান্তনুর দুই পুত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত এবং তাঁদের সঙ্গেও অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর পরিচয় রয়েছে।

এর আগে রবিবার সকালে কলকাতার বালিগঞ্জে শান্তনুর ফার্ন রোডের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। একই সঙ্গে বেহালায় জয় কামদারের বাড়িতেও অভিযান হয়। এই তল্লাশি মূলত ‘সোনা পাপ্পু সিন্ডিকেট’-এর সঙ্গে যুক্ত মানি লন্ডারিং মামলার সূত্র ধরেই করা হয় বলে জানা গেছে।

এই মামলায় ইতিমধ্যেই বড় পদক্ষেপ নিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর জয় কামদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তে ইডি দাবি করেছে, অপরাধচক্রের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ বিভিন্ন মাধ্যমে ঘোরানো হয়েছে এবং সেই অর্থের একটি অংশ বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ‘সোনা পাপ্পু’ নামে পরিচিত বিস্বজিৎ পোদ্দার এখনও অধরা। একাধিক গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত জারি থাকলেও এখনও তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনাও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে রাজনৈতিক মহলে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তলব শুধু একটি সাধারণ তদন্তের অংশ নয়—বরং এটি একটি বড় চক্রের ইঙ্গিত দিতে পারে, যেখানে অপরাধজগত, রিয়েল এস্টেট এবং প্রশাসনের সম্ভাব্য যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নির্বাচনের আগে এই ধরনের তদন্ত ও তলব (ED summons Kolkata Police DC) স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক গুরুত্বও বহন করছে। বিরোধীরা ইতিমধ্যেই এই ঘটনাকে ইস্যু করে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে শাসক শিবিরের দাবি, তদন্ত আইনের পথে এগোচ্ছে এবং এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।

সব মিলিয়ে, কলকাতা পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিক ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ইডি-র তলব—এই ঘটনাটি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। এখন নজর তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

More News