• ৩ চৈত্র ১৪৩২
  • বুধবার
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
ad
ad

Breaking News

Twisha Sharma Death Case

“আমি ফেঁসে গেছি, তুই ফাঁসিস না…” মৃত্যুর আগে বন্ধুকে শেষ বার্তা ত্বিষার, রহস্য ঘনাচ্ছে মৃত্যুতে

ভোপালে রহস্যজনক মৃত্যুর আগে বন্ধু ও পরিবারের কাছে আতঙ্কের বার্তা পাঠিয়েছিলেন নয়ডার ত্বিষা শর্মা। “আমি ফেঁসে গেছি” — তাঁর শেষ চ্যাট সামনে আসতেই নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পণপ্রথা, নির্যাতন ও জোর করে গর্ভপাতের অভিযোগে তদন্তে নেমেছে SIT।

“আমি ফেঁসে গেছি, তুই ফাঁসিস না…” মৃত্যুর আগে বন্ধুকে শেষ বার্তা ত্বিষার, রহস্য ঘনাচ্ছে মৃত্যুতে

Twisha Sharma Death Case

Published by: cloud_admin
  • Posted:May 18, 2026 7:08 am
  • Update:May 18, 2026 7:08 am
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি ডেস্ক :  ভোপালে স্বামীর বাড়িতে রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে নয়ডার তরুণী ত্বিষা শর্মার মৃত্যু (Twisha Sharma Death Case) ঘিরে। মৃত্যুর কয়েক দিন আগে বন্ধুকে পাঠানো তাঁর শেষ Instagram ও WhatsApp চ্যাট সামনে আসতেই আরও ঘনীভূত হয়েছে রহস্য। চ্যাটে ত্বিষা লিখেছিলেন, “I am trapped bro, tu mat phasna…” — অর্থাৎ “আমি ফেঁসে গেছি, তুই ফাঁসিস না।”

৩৩ বছরের ত্বিষা শর্মা উত্তরপ্রদেশের নয়ডার বাসিন্দা ছিলেন। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ভোপালের আইনজীবী সমর্থ সিংয়ের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। পরিবারের দাবি, বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন তিনি। চলতি মাসের ১২ মে ভোপালের কাটারা হিলস এলাকার শ্বশুরবাড়ি থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।

সংবাদ মাধ্যমের হাতে আসা WhatsApp ও Instagram চ্যাটে দেখা যাচ্ছে, মৃত্যুর আগে গভীর উদ্বেগ ও মানসিক চাপে ভুগছিলেন ত্বিষা। এক বন্ধুকে তিনি লিখেছিলেন,
“Shaadi ki khujli me shaadi mat karna… soch samaj kar aage badhna” — অর্থাৎ তাড়াহুড়ো করে বিয়ে না করার পরামর্শও দিয়েছিলেন তিনি।

আরও এক Instagram চ্যাটে তিনি লেখেন,
“আমি ফেঁসে গেছি… বেশি কথা বলতে পারছি না… ঠিক সময়ে ফোন করব।” এই বার্তা পাওয়ার পর থেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তাঁর বন্ধুরা।

ত্বিষার পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই পণের চাপ, মানসিক অত্যাচার ও চরিত্র নিয়ে অপমানের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। পরিবারের দাবি, মৃত্যুর কয়েক দিন আগেই ত্বিষা তাঁর মা-বাবাকে মেসেজ করে লিখেছিলেন—
“এরা খুব খারাপ… আমাকে এখান থেকে নিয়ে যাও… এরা আমাকে বাঁচতে দেবে না।”

ত্বিষার ভাইয়ের অভিযোগ, তাঁকে জোর করে গর্ভপাত করানো হয়েছিল। পোস্টমর্টেম রিপোর্টেও উল্লেখ রয়েছে, মৃত্যুর এক সপ্তাহ আগে তাঁর medical termination of pregnancy হয়েছিল।

প্রাথমিক পোস্টমর্টেম রিপোর্টে বলা হয়েছে, ফাঁস লাগার কারণেই মৃত্যু (Twisha Sharma Death Case) হয়েছে। তবে একই সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অংশে “multiple antemortem injuries” বা মৃত্যুর আগের আঘাতের চিহ্নও পাওয়া গিয়েছে। এই তথ্য সামনে আসতেই আত্মহত্যা নাকি খুন— সেই প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।

ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করেছে পুলিশ। ত্বিষার স্বামী সমর্থ সিং এবং তাঁর মা, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক গিরিবালা সিংয়ের বিরুদ্ধে পণপ্রথা, মানসিক নির্যাতন ও গৃহহিংসার অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে পরিবারের দাবি, প্রভাব খাটিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। টুইশার বাবা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, “আমরা ভয় আর আতঙ্কের মধ্যে বেঁচে আছি।”

সোশ্যাল মিডিয়াতেও এই ঘটনা নিয়ে প্রবল ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বহু মানুষ #JusticeForTwisha হ্যাশট্যাগে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছেন।

More News