• ৩ চৈত্র ১৪৩২
  • বুধবার
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
ad
ad

Breaking News

RSS Bengal Expansion Election

৫৩০ থেকে ৪৩০০! বাংলায় RSS-এর ‘সাইলেন্ট এক্সপ্যানশন’

ভোটের মুখে বাংলায় RSS-এর কার্যকলাপ ঘিরে জোর জল্পনা। সংগঠনের দ্রুত বিস্তার ও গোপন বৈঠক নিয়ে রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে।

৫৩০ থেকে ৪৩০০! বাংলায় RSS-এর ‘সাইলেন্ট এক্সপ্যানশন’

RSS Bengal Expansion Election

Published by: cloud_admin
  • Posted:April 22, 2026 5:42 am
  • Update:April 22, 2026 5:49 am
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি বাংলা ডেস্ক : বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি করেছে Rashtriya Swayamsevak Sangh-এর কার্যকলাপ। সূত্রের দাবি, গত কয়েক বছরে রাজ্যে RSS-এর শাখা সংখ্যা ৫৩০ থেকে বেড়ে প্রায় ৪৩০০-তে পৌঁছেছে। এই বিপুল বৃদ্ধি (RSS Bengal Expansion Election) শুধু সংগঠনের বিস্তার নয়, বরং গ্রাম স্তরে এক ধরনের ‘সাইলেন্ট মেরুকরণ’-এর ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে RSS-এর কার্যকলাপ বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে চিন্তা বাড়ছে রাজ্যের শাসক শিবিরে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই বিস্তার ভোটের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও RSS বরাবরই নিজেদের সাংগঠনিক ও সামাজিক কার্যক্রমের সংগঠন হিসেবে দাবি করে এসেছে, তবুও নির্বাচনের ঠিক আগে এই দ্রুত বৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

এদিকে আরও বড় দাবি উঠেছে—ভোটের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে রাজ্যের প্রায় ২৫০টি কেন্দ্রে গোপন বৈঠক করছে RSS। যদিও এই বৈঠকের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে স্পষ্ট তথ্য সামনে আসেনি, তবে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে। কেউ কেউ একে ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ বলেও উল্লেখ করছেন, যা নাকি নির্বাচনের আগে ভোটারদের প্রভাবিত করার একটি পরিকল্পিত কৌশল হতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে চাপ বাড়ছে মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee-র উপর। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একাধিকবার অভিযোগ তোলা হয়েছে, RSS এবং বিজেপি একযোগে বাংলায় মেরুকরণের রাজনীতি করছে। অন্যদিকে বিজেপি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলছে, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলার ভোটে মেরুকরণ একটি বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে। RSS-এর এই দ্রুত বিস্তার এবং গোপন বৈঠকের খবর সেই মেরুকরণকে আরও তীব্র করতে পারে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় সংগঠনের প্রভাব বাড়লে তা সরাসরি ভোটের সমীকরণ বদলে দিতে পারে।

তবে এখনও পর্যন্ত এই সব দাবির কোনও সরকারি বা স্বাধীন যাচাই সামনে আসেনি। ফলে বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। কিন্তু নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই এই ধরনের খবর রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়াচ্ছে।

সব মিলিয়ে, বাংলার ভোটের আগে এই “সাইলেন্ট এক্সপ্যানশন” ও “প্ল্যান বি” নিয়ে তৈরি হওয়া জল্পনা এখন রাজনৈতিক লড়াইয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে। এখন দেখার, বাস্তবে এর প্রভাব কতটা পড়ে ভোটবাক্সে।

More News