Subrata Thakur Viral Video
ক্লাউড টিভি বাংলা ডেস্ক: ভোটের আগে বাংলার রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল গাইঘাটা কেন্দ্রকে ঘিরে। Subrata Thakur-কে নিয়ে একটি ‘অশ্লীল ভিডিও’ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়াকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। তবে অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বিজেপি প্রার্থী দাবি করেছেন—ভিডিওটি (Subrata Thakur Viral Video) সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে তৈরি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে এক ব্যক্তিকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করা হয়। ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন ফেলে দেয়। তবে Subrata Thakur স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এটি তাঁর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে ছড়ানো একটি “ডিপফেক” বা AI-নির্ভর ভিডিও।
তিনি অভিযোগ করেছেন, ভোটের আগে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই এই ভিডিও ছড়ানো হয়েছে। তাঁর কথায়, “এটি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং প্রযুক্তির অপব্যবহার করে বানানো।” একই সঙ্গে তিনি এই ঘটনায় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
এই ঘটনা নতুন করে সামনে এনেছে নির্বাচনী রাজনীতিতে AI-র ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে ভুয়ো ভিডিও তৈরি করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। এতে সাধারণ ভোটারদের বিভ্রান্ত করার আশঙ্কাও বাড়ছে।
উল্লেখ্য, West Bengal Assembly Election 2026 সামনে রেখে ইতিমধ্যেই রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। বিভিন্ন ইস্যুতে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যে এই ধরনের ভিডিও বিতর্ক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, এই ধরনের ঘটনা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে। অন্যদিকে, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন—AI-ভিত্তিক ভুয়ো কনটেন্ট শনাক্ত করার জন্য দ্রুত শক্তিশালী ব্যবস্থা প্রয়োজন।
সব মিলিয়ে, গাইঘাটার এই ভিডিও বিতর্ক এখন শুধু একটি রাজনৈতিক ইস্যু নয়—এটি ডিজিটাল যুগে তথ্যের সত্যতা এবং প্রযুক্তির অপব্যবহার নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।