• ৩ চৈত্র ১৪৩২
  • বুধবার
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
ad
ad

Breaking News

Iran rejects US meeting

আলোচনায় ‘না’ Tehran-এর! US-এর প্রস্তাব ফিরিয়ে দিল Iran, বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

পাকিস্তানে দ্বিতীয় দফার বৈঠক বাতিল করল Iran। US-এর চাপ, Hormuz উত্তেজনা সহ ৫টি বড় কারণ সামনে আনল Tehran।

আলোচনায় ‘না’ Tehran-এর! US-এর প্রস্তাব ফিরিয়ে দিল Iran, বাড়ছে যুদ্ধের আশঙ্কা

Iran rejects US meeting

Published by: cloud_admin
  • Posted:April 20, 2026 5:40 am
  • Update:April 20, 2026 5:40 am
  • Facebook
  • Telegram
  • X
  • Whatsapp

ক্লাউড টিভি বাংলা ডেস্ক :  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে বসতে সরাসরি অস্বীকার করল Iran, যা মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। পাকিস্তানের ইসলামাবাদে এই বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কারণে শেষ মুহূর্তে পিছিয়ে আসে তেহরান। ইরানের সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, ওয়াশিংটনের “অবাস্তব ও অতিরিক্ত দাবি” এই আলোচনায় সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। United States-এর পক্ষ থেকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে সীমিত করার চাপ এবং কঠোর শর্ত আরোপের চেষ্টা, তেহরানের কাছে গ্রহণযোগ্য (Iran rejects US meeting) হয়নি।

দ্বিতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত অসঙ্গতি এবং বারবার অবস্থান পরিবর্তনকেও বড় কারণ হিসেবে দেখিয়েছে ইরান। তেহরানের অভিযোগ, একদিকে আলোচনা চালানোর কথা বলা হলেও অন্যদিকে সামরিক ও কূটনৈতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা আলোচনার পরিবেশ নষ্ট করছে। এই “ডাবল স্ট্যান্ডার্ড” বা দ্বৈত নীতির কারণে ইরান আলোচনায় আস্থা হারিয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ কারণ হল পারস্য উপসাগর ও Strait of Hormuz-এ মার্কিন নৌ অবরোধ। ইরানের দাবি, এই অবরোধ কার্যত যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করছে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও প্রভাব ফেলছে। মার্কিন নৌবাহিনীর এই পদক্ষেপকে তেহরান সরাসরি উস্কানিমূলক বলে মনে করছে, ফলে এই পরিস্থিতিতে আলোচনায় বসা অর্থহীন বলে জানিয়েছে তারা।

চতুর্থত, সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনা এবং সমুদ্রপথে সংঘর্ষও এই সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা নিয়েছে। বিশেষ করে একটি ইরানি জাহাজ আটক করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। ইরান এই ঘটনাকে “সমুদ্র দস্যুতা” বলে উল্লেখ করেছে এবং এটিকে আলোচনার পথে বড় বাধা হিসেবে দেখছে।

পঞ্চম ও শেষ কারণ হিসেবে উঠে এসেছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুমকিমূলক বক্তব্য। ইরানের দাবি, আলোচনার পাশাপাশি সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া কূটনীতির পরিপন্থী এবং এতে বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হয়। এই ধরনের আগ্রাসী অবস্থান থাকলে কোনও অর্থপূর্ণ আলোচনা সম্ভব নয় বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে তেহরান।

এই সিদ্ধান্তের ফলে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যে শান্তি আলোচনা এগোতে পারত, তা বড় ধাক্কা খেল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অচলাবস্থা শুধু দুই দেশের সম্পর্কই নয়, বরং গোটা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ইতিমধ্যেই Strait of Hormuz বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও চাপ সৃষ্টি করছে।

সব মিলিয়ে, দ্বিতীয় দফার বৈঠক ভেস্তে যাওয়ায় স্পষ্ট—যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দূরত্ব এখনও অনেকটাই, এবং পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা আপাতত কম।

More News